17 Agrohayon 1427 বঙ্গাব্দ মঙ্গলবার ১ ডিসেম্বর ২০২০
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ »
Home / রাজনীতি / বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল আধুনিকায়ন করে চালু করার দাবিতে চিটাগাং রোডে বাম গণতান্ত্রিক জোটের অবস্থান কর্মসূচি ও মিছিল

বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল আধুনিকায়ন করে চালু করার দাবিতে চিটাগাং রোডে বাম গণতান্ত্রিক জোটের অবস্থান কর্মসূচি ও মিছিল

নিউজ ব্যাংক ২৪ ডট নেট : রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল বন্ধের গণবিরোধী সিদ্ধান্ত বাতিল, পিপিপি বা লিজ নয়, আধুনিকায়ন করে অবিলম্বে চালু, পাট শিল্পে লোকসানের জন্য দায়ীদের শাস্তি, ব্যক্তিমালিকানার পাটকলে জাতীয় ন্যূনতম মজুরি ঘোষণার দাবিতে বাম গণতান্ত্রিক জোট নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে সোমবার ১৯শে অক্টোবর বেলা ১১ টায় চিটাগাং রোডে অবস্থান কর্মসূচি ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

বাম গণতান্ত্রিক জোট নারায়ণগঞ্জ জেলার সমন্বয়ক হাফিজুল ইসলামের সভাপতিত্বে কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন বাসদের সমন্বয়ক নিখিল দাস, কমিউনিস্ট পার্টির জেলার সম্পাদকম-লীর সদস্য বিমল কান্তি দাস, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির জেলার সাধারণ সম্পাদক আবু হাসান টিপু, গণসংহতি আন্দোলনের জেলার সমন্বয়ক তরিকুল সুজন, বাসদ নারায়ণগঞ্জ জেলার নির্বাহী ফোরামের সদস্য আবু নাঈম খান বিপ্লব, পাটকল শ্রমিকনেতা গোফরান আহমেদ।

নেতৃবৃন্দ বলেন, যখন সারা পৃথিবীতে পাট ও পাটজাত পণ্যের চাহিদা বাড়ছে, সে সময়ে পাটকল বন্ধ করা জাতির সাথে বিশ্বাস ঘাতকতা করা। পাট এবং পাটকল আমাদের জাতীয় ঐতিহ্য এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাথে সম্পর্কিত। ফলে পাটকল বন্ধ করা মুক্তযুদ্ধের চেতনা ও অঙ্গীকারের সাথেও বিশ্বাস ঘাতকতা করা। আমাদের সংবিধানেও রাষ্ট্রীয়খাত প্রধান, দ্বিতীয় সমবায়, তৃতীয় ব্যাক্তিখাত অথচ সরকার ব্যক্তিখাত কে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে সংবিধানকে লংঘন করে চলেছে। লোকসানের মূল কারণ পুরোনো যন্ত্রপাতি, অদক্ষ ও মাথাভারী প্রশাসন, সময়মতো অর্থ ছাড় না দেয়া, পাট পণ্যের বহুমুখীকরণ না করা এবং দুনীতি ও লুটপাট।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, বিশেষজ্ঞদের মতে ১২শ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়ে পাটকলগুলো আধুনিকায়ন করলে লাভজনক করা সম্ভব। অথচ সরকার সেটা না দিয়ে ৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে পাটকল বন্ধ করার উদ্দেশ্যে। বাস্তবে সরকার পিপিপি বা লিজের নামে জনগণের সম্পদ ব্যক্তি মালিকদের হাতে তুলে দিতে চাচ্ছে। সরকারের এই গণবিরোধী সিদ্ধান্তের কারণে ৪০ লাখ পাটচাষিসহ পাট সংশ্লিষ্ট প্রায় ৪ কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হবে। রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলো বন্ধের কারণ হিসেবে সরকার গত ৪৮ বছরে ১০ হাজার ৬৭৪ কোটি টাকা লোকসানের কথা বলেছে । অথচ গত ১০ বছরে উৎপাদন না করে ক্যাপাসিটি চার্জ বাবদ রেন্টাল-কুইক রেন্টালগুলোকে সরকার ভর্তুকি দিয়েছে ৬২ হাজার কোটি টাকা। পাটকলগুলোর লোকসানের জন্য দায়ী মন্ত্রনালয়, বিজেএমসি ও মিল পরিচালকরা অথচ এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে এর দায় চাপিয়ে দেয়া হয়েছে শ্রমিকদের উপর। ফলে গোল্ডেন হ্যান্ডসেকের নামে পাটকলে ৫০ হাজার শ্রমিক করোনাকালে চাকরি হারাচ্ছে। নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে বন্ধকৃত ২৫টি পাটকল আধুনিকায়ন করে রাষ্ট্রীয় মালিকানায় চালু করার জোর দাবি জানান।

অবস্থান কর্মসূচি পালন শেষে পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে চিটাগাং রোডে বিক্ষোভ মিছিল করা হয়।

আরও পড়ুন...

বিশ্বব্যাপী ফ্রান্সকে বয়কট এবং পণ্য বর্জনের ডাক ইসলামী আন্দোলনের

নিউজ ব্যাংক ২৪ ডট নেট : ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান …